কাশিয়ানীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ এক শীর্ষ মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।শনিবার (১১ এপ্রিল) দিনগত রাতে উপজেলার পশ্চিম রাতইল এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তি শেখ শহিদুল ইসলাম আকাশ (৩৮)। তিনি ওই এলাকার মৃত শেখ মোহাম্মদ আলীর ছেলে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সহকারী পুলিশ সুপার (মুকসুদপুর সার্কেল) নাফিছুর রহমানের নেতৃত্বে এবং কাশিয়ানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ মাহফুজুর রহমানের কৌশলী তত্ত্বাবধানে অভিযানটি পরিচালিত হয়। অভিযানে আকাশের বাড়ি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে ‘চিরুনি তল্লাশি’ চালানো হয়। প্রথমে নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করলেও পরে ঘরের ভেতরে অভিনব কৌশলে লুকিয়ে রাখা মাদক ও নগদ টাকা উদ্ধার করা হয়।পুলিশ জানায়, উদ্ধারকৃত আলামতের মধ্যে রয়েছে ১০ হাজার ২০৭ পিস ইয়াবা (কমলা ৯ হাজার ৬২৫ ও সবুজ ৫৮২ পিস), ২ কেজি গাঁজা এবং মাদক বিক্রির নগদ ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮০০ টাকা। উদ্ধার হওয়া মাদকের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৩৩ লাখ ৬৪ হাজার ৩০০ টাকা।
সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়েরা কেন বেশি বিপর্যস্ত, কী বলছে গবেষণা?
ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।
ঈদে আসছে নতুন টাকা, থাকছে না কোনো ব্যক্তির ছবি: গভর্নর
ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।
পিছিয়ে পড়ছে দেশের সম্ভাবনাময় এসএমই খাত
ল্প উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান মনে করেন, এসএমই খাত শুধু ব্যবসা নয়, দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশে সত্যিকার অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এ খাতের উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তারা তাদের লাভের ৩০ শতাংশই পুনরায় বিনিয়োগ করেন, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে।এসএমই হচ্ছে ক্ষুদ্র ও মাঝারি আকারের উদ্যোগ বা ব্যবসা। এই উদ্যোগে কর্মী এবং রাজস্বের পরিমাণ নির্দিষ্ট সীমার নিচে। বিশ্বের কোম্পানিগুলোর ৯০ শতাংশ এবং মোট কর্মসংস্থানে ৫০ শতাংশের বেশি এসএমই খাতে। এ কারণে বিশ্বব্যাংক, বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের মতো আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলো এসএমইকে ব্যাপক গুরুত্ব দিচ্ছে। এসএমই নিয়ে তাদের আলাদা নীতিমালা রয়েছে।বর্তমানে ইউরোপীয় ইউনিয়নে ব্যবসার ৯৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার ৯৮ শতাংশ এসএমই। তবে এ খাতে রয়েছে তহবিল সংকট।বিশ্বব্যাংক গ্রুপের ২০২১ সালের গ্লোবাল ফিনডেক্স ডাটাবেজ অনুসারে, আনুষ্ঠানিক, নারী-মালিকানাধীন এসএমইর জন্য ১ দশমিক ৭ ট্রিলিয়ন ডলারের তহবিল ঘাটতি রয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুসারে বর্তমানে দেশে এ শিল্পের সংখ্যা ১ কোটি ১৮ লাখ। আর এ খাতে কর্মসংস্থান হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লাখ মানুষের। অর্থাৎ শিল্প খাতে দেশে কর্মসংস্থানের ৮৭ শতাংশই এ খাতের।
কাশিয়ানীতে না জানিয়েই কমিটিতে পদ, নারীর সংবাদ সম্মেলন
চামড়া সংরক্ষণে বিনামূল্যে ৩০ হাজার টন লবণ দেবে সরকার
পুরোনো রাউটারকে বানিয়ে ফেলুন ওয়াই-ফাই এক্সটেন্ডার
কাশিয়ানীতে নিখোঁজ সামিউল, সন্ধান চায় পরিবার
অন্য কেউ আপনার জিমেইল ব্যবহার করছে? এখনই ব্যবস্থা না নিলে হ্যাকিংয়ের ঝুঁকি!
কাশিয়ানীতে ১৭৯ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ৩
যশোরে পালিত ছেলের হাতে মা খুন
কাশিয়ানীতে বর্ণাঢ্য র্যালিতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪
ধানমন্ডি লেক বাণিজ্যিক হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
কাশিয়ানীতে শিশু ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেফতার
কাশিয়ানীতে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত গ্রেপ্তার
কাশিয়ানীতে মোবাইল ফোনে বন্ধুত্বের ফাঁদে ফেলে ছিনতাই
কাশিয়ানীতে ইয়াবা-গাঁজাসহ শীর্ষ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
কাশিয়ানীতে নিখোঁজ সামিউল, সন্ধান চায় পরিবার
৮ ব্যাংকে নিয়োগ, মৌখিক পরীক্ষার সময়সূচি প্রকাশ
নোয়াখালীতে ৮ লাখ টাকার অবৈধ জ্বালানি জব্দ, আটক ৪
কাশিয়ানীতে বর্ণাঢ্য র্যালিতে আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালন
কাশিয়ানীতে ১৭৯ বোতল ফেনসিডিলসহ গ্রেপ্তার ৩
কাশিয়ানীতে না জানিয়েই কমিটিতে পদ, নারীর সংবাদ সম্মেলন
ধানমন্ডি লেক বাণিজ্যিক হবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক
ধানমন্ডি লেকের প্রাকৃতিক পরিবেশ রক্ষা এবং একে বাণিজ্যিকীকরণ থেকে মুক্ত রাখার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুস সালাম। তিনি বলেন, ধানমন্ডি লেক কোনো বাণিজ্যিক এলাকা নয়। ঢাকা শহরে মানুষের নিশ্বাস নেওয়ার জায়গার খুব অভাব। আমরা এই লেককে তার আদি প্রাকৃতিক রূপে সংরক্ষণ করতে চাই।ধানমন্ডি লেক পরিদর্শন শেষে বুধবার দুপুরে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে প্রশাসক এসব কথা বলেন।পরিদর্শনকালে লেকের যত্রতত্র রেস্টুরেন্ট এবং বাণিজ্যিক স্থাপনা দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করে ডিএসসিসি প্রশাসক বলেন, “এখানে প্রকৃতিকে ধারণ করাই আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত। কিন্তু বর্তমানে দেখে মনে হচ্ছে পুরো এলাকা রেস্টুরেন্টের দখলে চলে গেছে; যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমরা দ্রুতই একটি সুন্দর ও স্বাস্থ্যকর পরিবেশ ফিরিয়ে আনব”।লেকের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণের লক্ষ্যে গৃহীত পদক্ষেপসমূহ তুলে ধরে তিনি জানান, তদারকি কমিটি গঠনঃ আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা এবং সিটি করপোরেশনের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একটি তদারকি কমিটি গঠন করা হবে। এই কমিটির পর্যবেক্ষণ ও সুপারিশের ভিত্তিতেই লেকের উন্নয়ন ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।প্রশাসক জোর দিয়ে বলেন যে স্থানীয় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ ছাড়া লেকের পরিবেশ রক্ষা করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “পুলিশ বা সিটি করপোরেশন দিয়ে দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হবে না। আমরা চাই স্থানীয় বাসিন্দারাই লেকের পাহারাদার হিসেবে কাজ করবেন”।এ সময় তিনি রবীন্দ্র সরোবরের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বজায় রেখেও যেন প্রকৃতির কোনো ক্ষতি না হয়; সে বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বনের নির্দেশ দেন।সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রশাসক বলেন, “ডিএসসিসি পরিচালিত অভিযানের কার্যকারিতা টেকসই করতে হলে জনগণকে সঙ্গে নিতে হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা সচেতন থাকলে এবং সহযোগিতা করলে ধানমন্ডি লেক তার চিরচেনা সৌন্দর্য ফিরে পাবে”।পরিদর্শনকালে স্থপতি ইকবাল হাবিবসহ সিটি করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।